সর্বশেষ আপডেট: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশি নতুন করে পাড়ি জমাচ্ছেন। নতুন দেশে প্রথম ৯০ দিন সবচেয়ে কঠিন। এই গাইডটি পড়লে আপনাকে আর কারো কাছে ছোট হতে হবে না।
১. সবার আগে SSN – Social Security Number
যুক্তরাষ্ট্রে আপনার NID হলো SSN। এটি ছাড়া আপনি বৈধভাবে কাজ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ট্যাক্স ফাইল কিছুই করতে পারবেন না।
কিভাবে আবেদন করবেন?
আপনার নিকটস্থ SSA অফিসে যান। পাসপোর্ট, ভিসা এবং I-94 ফর্ম নিয়ে যান। আবেদন ফ্রি। ৭-১৪ দিনের মধ্যে কার্ড বাসায় চলে আসবে। আমাদের [ভিসা ও গ্রীন কার্ড] ক্যাটাগরিতে SSN নিয়ে বিস্তারিত আছে।
২. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ড
অনেকেই ভুল করেন – ক্যাশ নিয়ে ঘোরেন। আমেরিকা ক্যাশলেস দেশ।
কোন ব্যাংকে খুলবেন?
- Bank of America: বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে সহজ
- Chase Bank: বোনাস বেশি দেয়
- Checking + Savings দুটোই খুলুন। SSN পাওয়ার পরপরই একটি Secured Credit Card নিন – এটি আপনার ক্রেডিট স্কোর বাড়াবে।
৩. DMV থেকে State ID ও ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমেরিকায় গাড়ি ছাড়া চলা অসম্ভব। গাড়ি না থাকলেও State ID নিন। পুলিশ ধরলে বা যেকোনো জায়গায় এটি ID হিসেবে কাজ করবে।
কি কি লাগবে? পাসপোর্ট, SSN, ২টি ঠিকানার প্রমাণ (বাসা ভাড়ার চুক্তি ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট)। বিস্তারিত গাইড আমাদের [জব ও ডিএমভি] ক্যাটাগরিতে পাবেন।
৪. বাসা ভাড়া ও অ্যাপার্টমেন্ট
Zillow, Apartments.com এ বাসা খুঁজুন। নতুনদের কাছে অনেক বাড়িওয়ালা ২-৩ মাসের ভাড়া অগ্রিম চায়। বাংলাদেশি কমিউনিটির ফেসবুক গ্রুপে (যেমন – Bangladeshi in New York) অনেক বাসা পাওয়া যায় ক্রেডিট ছাড়াই।
৫. চাকরি – প্রথম জব কিভাবে পাবেন?
প্রথম জবে লজ্জা নেই। Amazon Warehouse, Uber Eats, Walmart, Dunkin Donuts – এগুলোতে SSN থাকলেই দ্রুত চাকরি হয়।
Pro Tips: Indeed.com এ প্রতিদিন আবেদন করুন এবং আপনার Resume টি আমেরিকান ফরম্যাটে বানান।
৬. স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance)
আমেরিকায় ডাক্তার খরচ অনেক বেশি। বীমা ছাড়া একবার হাসপাতালে গেলে ৫০০০ ডলার বিল আসতে পারে। কম আয়ের জন্য Medicaid বা Marketplace থেকে কম দামে বীমা নিন।
যুক্তরাষ্ট্রে সফল হতে হলে প্রথম ৬ মাস ধৈর্য ধরতে হবে। এই ৬টি ধাপ ঠিকভাবে করলে আপনার গ্রীন কার্ড ও নাগরিকত্বের পথ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন, কমেন্টে আপনার স্টেটের নাম লিখুন – আমরা সেই স্টেটের গাইড পাঠিয়ে দেব।

