পিংক বাসে নারী চালক দেখে যারা হাসাহাসি করছেন, তাদের জন্য একটি তথ্য দেওয়া প্রয়োজন। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, গাড়ি চালানোর জন্য পুরুষের শারীরিক কোনো বিশেষ অঙ্গের প্রয়োজন হয় না। স্টিয়ারিং ধরা, ব্রেক, ক্লাচ বা গিয়ার ব্যবহারের মতো দক্ষতাগুলো চালকের লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি সম্পূর্ণ একটি কারিগরি বিষয়।
আমাদের সমাজে অদ্ভুত এক বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়। স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এই দেশ নারী নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে। অথচ আজও মেয়েদের বাস চালানো নিয়ে মশকরা করা হয়। একজন ছেলে বাস চালালে তা পেশা হিসেবে গণ্য হয়, কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে তা হয়ে ওঠে ট্রল বা মিমের বিষয়।
মূল সমস্যাটি আসলে গাড়িতে নয়, বরং আমাদের সমাজের রক্ষণশীল মানসিকতায়। এখনো অনেকে ‘পুরুষের কাজ’ আর ‘মেয়েদের কাজ’ বলে কাজের ক্ষেত্রকে ভাগ করে রাখতে চান। অথচ নারীরা বিমান চালানো থেকে শুরু করে ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান এমনকি দেশ পরিচালনার মতো কঠিন দায়িত্বও সফলভাবে পালন করছেন।
আমরা পৃথিবীকে ধরণী মা, দেশকে মা এবং ভাষাকে মাতৃভাষা বলে ডাকি। নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া পৃথিবীতে কোনো বড় পরিবর্তন বা বিপ্লব সম্ভব হয়নি। তবুও কিছু মানুষের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সত্যি করে বলুন তো, আপনারা কি ইনসিকিউরড? নারীরা শক্তিশালী হয়ে উঠলে আপনাদের ক্ষুদ্র চিন্তাধারার পুরুষদের বিয়ে করার মতো সঙ্গী পাওয়া যাবে না—এমন ভয় থেকেই কি এই অস্বস্তি? প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই আপাতত মেয়েদের স্টিয়ারিং ধরতে দিতে পারেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: Beyond the Grades: Jannatul Islam Celebrates Son’s Remarkable IGCSE Journey। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একাত্তর নিয়ে নতুন বয়ান, পুরোনো প্রশ্নের উত্তর কোথায়।

