নেপালের বন্যায় প্রাণহানিতে গভীর শোক ও সহায়তার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত বুধবার, ২৬ আগস্ট এক শোকবার্তায় তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে আকস্মিক এই বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ১৫৭ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৪০৩ জন। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক পানির প্রবল স্রোত ও পাহাড় ধসের কারণে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলো অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, প্রকৃতির এই কঠিন বিপর্যয়ের মুহূর্তে নেপালের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। সংকটের এই সময়ে নেপালকে যেকোনো ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটেছে এবং দুর্যোগকালীন মানবিক সহযোগিতার বিষয়টি পুনরায় গুরুত্ব পেয়েছে।

উল্লেখ্য যে, নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি কোনো সীমান্ত না থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো যেকোনো মানবিক সংকটে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর যে ঐতিহ্য, তা এই শোকবার্তার মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হলো। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের এই সহযোগিতার আশ্বাস নেপালের বর্তমান বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজস্ব প্রতিবেদক ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৪। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হঠাৎ বন্যা: বরফধসেই কি খুলে গেল মৃত্যুর দুয়ার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সঙ্গে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’।